১৮৮৭ : জান্নাতবাসীরা তারার মতন

আবু সাঈদ আল-খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

“জান্নাতবাসীরা তাদের উপর তলার কক্ষের লোকদেরকে এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমনিভাবে তোমরা পূর্ব অথবা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জ্বল তারকাগুলি দেখতে পাও। তাদের পরস্পরের মর্যাদার পার্থক্যের কারণে এরূপ হবে। সাহাবীরা বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ঐ স্তরগুলি তো নবীদের যা অন্য কেউ লাভ করবে না। তিনি বলেনঃ হ্যা সেই সত্ত্বার শপথ যার হাতে আমার জীবন! যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং নবীদেরকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে, তারাও ঐ স্তরে যেতে সক্ষম হবে।”

— [বুখারী, মুসলিম; রিয়াদুস সলিহীন ১৮৮৭]

Advertisements

কী দু’আ করব, কেমন করে কবুল হবে

#[রিয়াদুস সলিহীন : ১৪৬৫]
নু’মান ইবনে বাশীর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “দু’আ হচ্ছে ইবাদাত।” [আবু দাউদ, তিরমিযি]
ইমাম আবু দাউদ ও ইমাম তিরমিযি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযি একে হাসান ও সহীহ হাদিস অ্যাখ্যা দিয়েছেন। Continue reading


কথা বলার সময়ে যেসব ব্যাপারে স্মরণ রাখা দরকার

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায়।” [মুসলিম]
#রিয়াদুস সলিহীন – ১৫৪৭

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে অন্যথায় চুপ থাকে।” [বুখারী,মুসলিম] Continue reading


আমার আত্মা কলুষিত — এ ধরণের কথা বলা নিষেধ

আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

“তোমাদের কেউ যেন নিজের সম্পর্কে একথা না বলে, আমার আত্মা কলুষিত হয়ে গেছে, বরং এরকম বলতে পারে, আমার আত্মা মলিন হয়ে গেছে।” [বুখারী,মুসলিম]

#রিয়াদুস সলিহীন : ১৭৩৯ Continue reading


নামায ও কুরআনের ফযীলাত

আবু উমামা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ

“তোমরা আল কুরআন পড়। কারণ কিয়ামাতের দিন আল কুরআন তার পাঠকারীর জন্য শাফা’আতকারী হিসেবে আবির্ভূত হবে।” [মুসলিম]

#রিয়াদুস সলিহীন : ৯৯১

* *

আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

“পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও এক জুমু’আ থেকে আর এক জুমু’আ পর্যন্ত আদায়কৃত নামায এর মধ্যকার (সব গুনাহের) জন্য কাফফারা, যদি কবিরা গুনাহ না করা হয়।” [মুসলিম]

#রিয়াদুস সলিহীন : ১০৪৫

* *
জুনদুব ইবনে সুফিয়ান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে সে আল্লাহর দায়িত্বের মধ্যে শামিল হয়ে যায়। কাজেই হে বনী আদম! চিন্তা কর, আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে নিজের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত কোন জিনিস চেয়ে না বসেন।” [মুসলিম]
#রিয়াদুস সলিহীন ১০৪৯

* *

আবু যুহাইর উমারা ইবনে রুওয়াইবা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ
“যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত আদায় করে সে কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। অর্থাৎ ফজর ও আসরের সালাত।” [মুসলিম]
#রিয়াদুস সলিহীন ১০৪৮.


কোন মুসলিমের কষ্ট দেখে আনন্দ বা সন্তোষ প্রকাশ করা নিষেধ

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেনঃ

♥ “মু’মিনরা পরস্পর ভাই।” –[আল হুজুরাত : ১০]
♥ “নিশ্চিত ধ্বংস এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যে (সামনা সামনি) লোকদের উপর গালাগাল করতে এবং (পিছনে) দোষ প্রচার করতে অভ্যস্ত।” –[সূরা আল হুমাযাহ: ১-২]

♥ ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমার ভাইয়ের বিপদে আনন্দিত হয়ো না। কেননা এতে আল্লাহ তার প্রতি অনুগ্রহ করবেন এবং তোমাকে ঐ বিপদে নিমজ্জিত করবেন।” –[তিরমিযি]

# রিয়াদুস সলিহীন : ১৫৭৭

♥ আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “কোন ব্যক্তির খারাপ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলিম ভাইকে অবজ্ঞা করে।” –[মুসলিম]

# রিয়াদুস সলিহীন : ১৫৭৪


কারো অনুপস্থিতিতে তার জন্য দু’আ করার ফযীলাত

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেনঃ
♥ “আর তোমাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারীদের জন্যও।”—[সূরা মুহাম্মাদ :১৯]

♥ আবুদদারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেনঃ “ভাইয়ের অসাক্ষাতে কোন মুসলমান ব্যক্তির দু’আ তার জন্য কবুল হয়। তার মাথার কাছে একজন দায়িত্বশীল ফেরেশতা নিযুক্ত থাকেন। যখন ঐ ব্যক্তি তার ভাইয়ের কল্যাণের জন্য কোন দু’আ করে তখনই ঐ নিযুক্ত দায়িত্বশীল ফেরেশতা বলেনঃ আমীন, তোমার জন্যও অনুরূপ।”♥—[মুসলিম]

# রিয়াদুস সলিহীন : ১৪৯৫