Category Archives: সালাত

নামায ও কুরআনের ফযীলাত

আবু উমামা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ

“তোমরা আল কুরআন পড়। কারণ কিয়ামাতের দিন আল কুরআন তার পাঠকারীর জন্য শাফা’আতকারী হিসেবে আবির্ভূত হবে।” [মুসলিম]

#রিয়াদুস সলিহীন : ৯৯১

* *

আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

“পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও এক জুমু’আ থেকে আর এক জুমু’আ পর্যন্ত আদায়কৃত নামায এর মধ্যকার (সব গুনাহের) জন্য কাফফারা, যদি কবিরা গুনাহ না করা হয়।” [মুসলিম]

#রিয়াদুস সলিহীন : ১০৪৫

* *
জুনদুব ইবনে সুফিয়ান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে সে আল্লাহর দায়িত্বের মধ্যে শামিল হয়ে যায়। কাজেই হে বনী আদম! চিন্তা কর, আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে নিজের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত কোন জিনিস চেয়ে না বসেন।” [মুসলিম]
#রিয়াদুস সলিহীন ১০৪৯

* *

আবু যুহাইর উমারা ইবনে রুওয়াইবা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ
“যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত আদায় করে সে কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। অর্থাৎ ফজর ও আসরের সালাত।” [মুসলিম]
#রিয়াদুস সলিহীন ১০৪৮.


১০৮১

আবু হুরায়রা রাদি আল্লাহু তা’আলা থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন,রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“কিয়ামাতের দিন বান্দাহ্’র সকল আমলের মধ্যে যে আমলটির হিসেব সর্বপ্রথম নেয়া হবে সেটি হলো নামাজ!যদি এ হিসেবটি নির্ভুল পাওয়া যায় তাহলে সে সফলকাম হবে ও নিজ লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে।আর যদি এ হিসেবটিতে গলদ থাকে তাহলে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও ধ্বংস হয়ে যাবে।
যদি বান্দাহ্’র ফরজগুলোর মধ্যে কোনো কমতি থাকে তাহলে মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ্ ফেরেশতাদের বলবেন,”দেখো আমার বান্দাহ্’র কিছু নফল আছে কী?তাহলে তার সাহায্যে ফরজগুলির ঘাটতি পূরণ করে দাও।”অতঃপর আর সব আমলের হিসেব এভাবেই গ্রহণ করা হবে।”[তিরমিযী]

*রিয়াদুস সালেহীন [১০৮১]


১০৭৬

আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার রাদি আল্লাহু তা’আলা থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন,রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“আমাকে মানুষের সাথে যুদ্ধ করতে বলা হয়েছে যে পর্যন্ত না তারা সাক্ষ্য দেয়–আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহ্’র রাসুল,আর যে পর্যন্ত না তারা নামাজ কায়েম করে ও যাকাত দেয়।তারপর তারা আমার হাত থেকে তাদের জীবন ও সম্পদ সংরক্ষিত করে নেবে।তবে কেবল ইসলামের হক্ব তাদের উপর থাকবে।আর অতঃপর তাদের হিসেবের ভার ন্যস্ত হবে আল্লাহ্’র উপর।”[বুখারী ও মুসলিম]

*রিয়াদুস সালেহীন [১০৭৬]