Category Archives: দু’আ

১৫০০ : দু’আ কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়

আবু উমামা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলা হলো, কোন দু’আ বেশি কবুল হয়?

তিনি বলেন, শেষ রাতের মধ্যকালের ও ফরয নামাজের পরের দু’আ।

[ইমাম তিরমিযী হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং একে হাসান হাদিস বলেছেন]

রিয়াদুস সলিহীন # ১৫০০

Advertisements

কী দু’আ করব, কেমন করে কবুল হবে

#[রিয়াদুস সলিহীন : ১৪৬৫]
নু’মান ইবনে বাশীর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “দু’আ হচ্ছে ইবাদাত।” [আবু দাউদ, তিরমিযি]
ইমাম আবু দাউদ ও ইমাম তিরমিযি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযি একে হাসান ও সহীহ হাদিস অ্যাখ্যা দিয়েছেন। Continue reading


কারো অনুপস্থিতিতে তার জন্য দু’আ করার ফযীলাত

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেনঃ
♥ “আর তোমাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারীদের জন্যও।”—[সূরা মুহাম্মাদ :১৯]

♥ আবুদদারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেনঃ “ভাইয়ের অসাক্ষাতে কোন মুসলমান ব্যক্তির দু’আ তার জন্য কবুল হয়। তার মাথার কাছে একজন দায়িত্বশীল ফেরেশতা নিযুক্ত থাকেন। যখন ঐ ব্যক্তি তার ভাইয়ের কল্যাণের জন্য কোন দু’আ করে তখনই ঐ নিযুক্ত দায়িত্বশীল ফেরেশতা বলেনঃ আমীন, তোমার জন্যও অনুরূপ।”♥—[মুসলিম]

# রিয়াদুস সলিহীন : ১৪৯৫


৭১৫ : দু’আতে স্মরণ রাখার অনুরোধ

হযরত উমার ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত।তিনি বলেন,
আমি উমরাহ করার জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে অনুমতি চাই।তিনি আমাকে অনুমতি দিয়ে বললেন,

“হে প্রিয় ভাইটি আমার! তোমার দু’আয় আমাদের কথা ভুলে যেও না!”

তাঁর উচ্চারিত বাক্যটি আমার জন্য এমন ছিলো যার বিনিময়ে সমগ্র দুনিয়া প্রাপ্ত হলেও আমার কাছে অধিক আনন্দদায়ক হতো না।

অন্য এক বর্ণনায় এসেছে।তিনি বলেছেন: “হে প্রিয় ভাই! তোমার দু’আয় আমাদের শরীক রেখো।”

[আবু দাউদ ,তিরমিযী]
ইমাম তিরমিযী বলেছেন এটি হাসান হাদীস।

#রিয়াদুস সলিহীন:৭১৫


৫৮৭

হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত।তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

তোমাদের কেউ যেন কষ্টে পতিত হওয়ার কারণে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা না করে।যদি সে একান্ত বাধ্য-ই হয় তাহলে যেন এভাবে বলে,

“হে আল্লাহ! আমাকে ওই সময় পর্যন্ত জীবিত রাখুন,যতক্ষণ পর্যন্ত জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়।আর আমাকে মৃত্যু দান করুন,যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয়”

(বুখারী ও মুসলিম)

#রিয়াদুস সলিহীন:৫৮৭